শিক্ষার্থীদের দাবি উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনার অবস্থান জানান — এই জনমতই আমাদের কণ্ঠস্বর।
আপনার সিদ্ধান্ত কী?
আবেগ নয়, তথ্য ও বাস্তবতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান।
দেশের বহু এলাকায় পানি নামেনি, যোগাযোগব্যবস্থা বিপর্যস্ত। এই অবস্থায় কেন্দ্রে পৌঁছানোই অনেকের পক্ষে অসম্ভব।
৯টির মধ্যে মাত্র চট্টগ্রাম বোর্ড স্থগিত, বাকি ৮ বোর্ডে পরীক্ষা চলমান — 'অভিন্ন প্রশ্ন' প্রতিশ্রুতি ভেঙে সুস্পষ্ট বৈষম্য।
বন্যা, বিদ্যুৎ সংকট আর মানসিক চাপে শেষ কয়েক সপ্তাহ পড়াশোনার সুযোগ ছিল না। এই অবস্থায় পরীক্ষা মানে অসম প্রতিযোগিতা।
লক্ষাধিক শিক্ষার্থী পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন, কিন্তু কোনো সংলাপ ছাড়াই একতরফা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগ, ক্লান্তি আর অনিশ্চয়তার মধ্যে পরীক্ষা শুধু ফলাফল না — শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরেও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে।
পরীক্ষা জ্ঞানের প্রতিযোগিতা হওয়ার কথা — পরিস্থিতির নয়। সমান সুযোগ ছাড়া নেওয়া পরীক্ষা কারো জন্যই ন্যায্য নয়।
এই কারণগুলোই বলছে — একটাই দাবি: ন্যায্য পরীক্ষা। উপরে ভোট দিয়ে আপনার অবস্থান জানান।
এইচএসসি ২০২৬ শিক্ষার্থীরা বন্যা পরিস্থিতি, প্রস্তুতির অভাব এবং বোর্ডভিত্তিক বৈষম্যের কারণ দেখিয়ে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন।
এই পাতা কোনো দাবি চাপিয়ে দেয় না — শুধু জিজ্ঞেস করে:
আপনি কী চান? — উপরের ভোটই আপনার উত্তর।